Friday, April 14, 2017

বরফ গলে জেগে উঠছে অচেনা পৃথিবী !

বরফ গলে জেগে উঠছে অচেনা পৃথিবী !




বহু হাজার বছর আগে চাপা পড়ে গিয়েছিল সে পৃথিবী। তার উপর জমেছিল বরফের স্তর। কিন্তু বরফ গলতেই ধীরে ধীরে দেখা মিলছে এক অচেনা দুনিয়ার।সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের মধ্যে সাড়া ফেলে সাইবেরিয়ায় জেগে উঠেছে এক মহাগহ্বর। স্থানীয় ইয়াকুতিয়ান জনগোষ্ঠির বিশ্বাস ‘বাটাগাইকা’ নামের মহাগহ্বরটি হচ্ছে পাতালে প্রবেশ করার রাস্তা। প্রায় এক কিলোমিটার চওড়া ও ২৮০ ফুট গভীর এই গহ্বরটি প্রতিবছর ৩৩ থেকে ৯৯ ফুট বাড়ছে।এর ফলে ভূগর্ভস্ত বরফ গলে বেরিয়ে আসছে প্রায় দু’লক্ষ বছর পুরনো প্রাণিজগতের নিদর্শন। ইতিমধ্যে, বাটাগাইকা গহ্বর থেকে পাওয়া গিয়েছে প্রাগৈতিহাসিক প্রায় অবিকৃত ম্যামথ ও চার হাজার বছর পুরনো ঘোড়ার জীবাশ্ম

ক্যামেরায় ধরা পরা যে ছবি গুলো আপনার আত্মা কাপিয়ে দিবে | Most Scary things Caught on Camera

ক্যামেরায় ধরা পরা যে ছবি গুলো আপনার আত্মা কাপিয়ে দিবে | Most Scary things Caught on Camera



Sunday, April 9, 2017

দেখে নিন পৃথিবীর সবথেকে বড় ও বিলাসবহুল ভবন বুর্জ খলিফা!

দেখে নিন পৃথিবীর সবথেকে বড় ও বিলাসবহুল ভবন বুর্জ খলিফা!


বুর্জ খলিফার" নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৪ খ্রিস্টাব্দে, আর কাজ শেষ হয় ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে। এটি তৈরীতে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে। এর বহিঃপ্রাঙ্গনে অবস্থিত ফোয়ারা নির্মাণেই ব্যয় হয়েছে ১৩৩ মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড। এই ভবনে ১,০৪৪টি বাসা (এপার্টমেন্ট) আছে;১৫৮তলায় আছে একটি মসজিদ; ৪৩তম এবং ৭৬তম তলায় আছে দুটি সুইমিং পুল।
আরো আছে ১৬০ কক্ষবিশিষ্ট একটি হোটেল। ১২৪তম তলায় দর্শকদের জন্য প্রকৃতি দর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ভবনে সংস্থাপিত কোনো কোনো লিফটের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ মাইল। ২০০৪ খ্রিস্টাব্দে শিলান্যাসের পর থেকে অতি দ্রুত নির্মাণ কাজ অগ্রসর হয়েছে। এমনো দিন গেছে যে দিন ১২ হাজার নির্মাণ কর্মী একযোগে নির্মাণ প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত ছিল। সে সময় প্রতি তিন দিন পর পর একটি ছাদ তৈরি করা হয়েছে

দেখুন বিশ্বের সাতটি বিপজ্জনক রেললাইন!যেখানে যাওয়াতো দুরের কথা দেখলেই গা ছম ছম করে উঠবে

দেখুন বিশ্বের সাতটি বিপজ্জনক রেললাইন!যেখানে যাওয়াতো দুরের কথা দেখলেই গা ছম ছম করে উঠবে

রেলগাড়িতে চড়তে অনেকেই পছন্দ করেন৷ তবে বিশ্বে এমন কয়েকটি রেললাইন আছে যেখান দিয়ে ট্রেনে যেতে হয়ত আপনার একটু ভয় লাগবে৷

পাম্বান ব্রিজ, ভারত

রামেশ্বরম আর পাম্বান নামে দুটি দ্বীপের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে ১৯১৪ সালে সেতুটি নির্মাণ করা হয়৷ সাগরের উপর নির্মিত এই ব্রিজটি ২ দশমিক ০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ৷ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেশি হওয়ায় ব্রিজটি দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে৷
সাল্তা-আন্টোফাগাস্তা রেলওয়ে

আর্জেন্টিনার সাল্তা ও চিলির আন্তুফাগাস্তা শহরের মধ্যে এই রেললাইনটি অবস্থিত৷ প্রায় ২৭ বছর ধরে কাজ করার পর ১৯৪৮ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়৷ এই লাইনের একটি অংশ ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪,২২০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত৷ সে হিসেবে এটি বিশ্বের পঞ্চম সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত লাইন৷ প্রায় সাড়ে নয়শ’ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেললাইনে আছে ২৯টি ব্রিজ ও ২১টি টানেল৷

Friday, April 7, 2017

নির্জন রহস্যদ্বীপ বাল্ট্রা

নির্জন রহস্যদ্বীপ বাল্ট্রা


প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালের অনেক রহস্যই এখনো উম্মোচিত হয়নি এমনই অদ্ভুত রহস্যেঘের এক দ্বীপ বাল্ট্রা বাল্ট্রা মূলত মানববসতিশূন্য একটি দ্বীপ দক্ষিণ আমেরিকার ইকুয়েডরের নিকটবর্তী ১৩টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ আর এই ১৩টি দ্বীপের একটিই হচ্ছে বাল্ট্রা এখানকার অন্য ১২টি দ্বীপ থেকে বাল্ট্রা একেবারেই আলাদা, অদ্ভুত এবং রহস্যময়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কৌশলগত কারণে এই দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি দ্বীপে এয়ারবেস স্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। তখনকার এয়ারবেসের একজন অফিসার ফ্রান্সিস ওয়াগনার এর মাধ্যমেই বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে বাল্ট্রা দ্বীপের অদ্ভুত চরিত্রেক কথা। এরপর অনেকেই এই দ্বীপের রহস্যময় আচরণের কথা স্বীকার করেন। এটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দ্বীপপুঞ্জ হওয়ায় এখানে প্রচুর বৃষ্টি হয়। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হল বৃষ্টির এক ফোঁটাও পড়ে না বাল্ট্রাতে। কী এক রহস্যজনক কারণে বাল্ট্রার অনেক উপর দিয়ে উড়ে গিয়ে অন্য পাশে প্রবল বৃষ্টি। বাল্ট্রা অর্ধেক পার হওয়ার পর অদ্ভুতভাবে আর এক ইঞ্চিও এগোয় না বৃষ্টির ফোঁটা। বৃষ্টি যত প্রবলই হোক যেন সেখানকার এক অমোঘ নিয়ম। বাল্ট্রাতে এলেই অস্বাভাবিক আচরণ করে নাবিক বা অভিযাত্রীর কম্পাস। সব সময় উত্তর দিক নির্দেশকারী কম্পাস এখানে কোনো সময় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, আবার দিক-নির্দেশক কাঁটা ইচ্ছামতো ঘুরতে থাকে অথবা উল্টাপাল্টা দিক নির্দেশ করে। সবচেয়ে রহস্যজনক ব্যাপার হল বাল্ট্রা দ্বীপের উপর প্লেনে থাকাকালীন এমন অদ্ভুত আচরণ করে কম্পাস। আবার দ্বীপ পার হলেই সব ঠিক

বাল্ট্রার আরেকটি অদ্ভুত দিক হল- এর মানসিক দিক। অন্য বারোটি দ্বীপের তুলনায় মৃত দ্বীপ বাল্ট্রায় পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যে কারো মাথা অনেক হালকা হয়ে যায়। অজানা অচেনা কোনো এক জায়গায় হারিয়ে যাওয়ার আশ্চর্য রকম ভালো একটা অনুভূতি আচ্ছন্ন করে ফেলে মনকে। বেশিক্ষণ দ্বীপে থাকলে দ্বীপ থেকে চলে আসার পর কিছুদিন সেই আশ্চর্য অনুভূতি থেকে যায়। পরে অবশ্য আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যায়

অদ্ভুত দ্বীপ বাল্ট্রায় কোনো বৃক্ষ নেই। নেই কোনো পশুপাখি। কোনো পশুপাখি দ্বীপে আসতে চায় না। দ্বীপের রহস্যময়তার আবিষ্কর্তা ওয়েগনার জোর করে কিছু প্রাণীকে বাল্ট্রা এবং এর পাশের দ্বীপ সান্তাক্রুজের মধ্যবর্তী খালে ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেখা গেল বাল্ট্রাকে এড়িয়ে সান্তাক্রুজের ধার ঘেঁষে চলছে প্রাণীগুলো। শুধু তাই নয়, উড়ন্ত পাখিগুলোও উড়তে উড়তে বাল্ট্রার কাছে এসেই ফিরে যাচ্ছে। দেখে মনে হয়, যেন অদৃশ্য কোনো দেয়ালে ধাক্কা খাচ্ছে ওরা

বাল্ট্রা দ্বীপের রকম অদ্ভুত আচরণের কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ এখনো কেউ খুঁজে পায়নি। তবে কারো কারো মতে, এখানে কোনো অস্বাভাবিক শক্তির অস্তিত্ব রয়েছে- যার প্রভাবে এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে। বিজ্ঞানীরা আজও রহস্যের কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি